বিনোদন ডেস্ক:
তিনি অভিনেত্রী, পরিচালক, সম্পাদক, সমাজসচেতন নাগরিক — বহু পরিচয়ে সমুজ্জ্বল অপর্ণা সেন।অপর্ণা সেনের জন্মদিন আজ। ‘বসন্ত বিলাপ’ হোক, কিংবা ‘ইতি মৃণালিনী’, ক্যামেরার সামনে-পিছনে সমানভাবে সাবলীল অপর্ণা সেন। আজ তাঁর জন্মদিন।
অপর্ণা সেন (Aparna Sen) ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের জগতে এক অনন্য ও দূরদর্শী প্রতিভা।
অভিনয় থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র পরিচালনা—সবক্ষেত্রেই তিনি রেখে গেছেন গভীর ছাপ।
অপর্ণা সেনের ঝুলিতে রয়েছে একাধিক জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি ‘৩৬ চৌরঙ্গি লেন’-এর জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জাতীয় পুরস্কার পান অপর্ণা সেন।
এছাড়াও আটটি বিএফজেএ পুরস্কারও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
১৯৮৭ সালে পদ্মশ্রী পেয়েছিলেন অপর্ণা সেন।
নিজের ছবির চিত্রনাট্য নিজেই লেখেন অপর্ণা। যদিও বাণিজ্যিক ছবি পরিচালনা করতে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নন এই পরিচালক।
এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য,
“আমার কাছে সিনেমা আর্ট, সিনেমা সেলুলয়েডের কবিতা। সিনেমা আমার কাছে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। আর সেই ব্যক্তিগত জায়গায় প্রাইস ট্যাগ লাগানোর কোনও ইচ্ছা আমার নেই।”
নিজেরছবির সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় অপর্ণা সেনের নখদর্পণে থাকে।
প্রোডাকশন ডিজাইন থেকে সেট ডিজাইন— সমগ্রটাই।
অপর্ণা সেন (জন্ম: অক্টোবর ২৫, ১৯৪৫) একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী এবং চলচ্চিত্র পরিচালিকা। তিনি অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মার মাতা।
জীবনকাহিনী
অপর্ণা সেন পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বৈদ্যব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পূর্ব বাংলা থেকে তার পরিবার কলকাতায় আসে। তার বাবা চলচ্চিত্র সমালোচক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা চিদানন্দ দাশগুপ্ত। তার মা সুপ্রিয়া দাশগুপ্ত সম্পর্কে খ্যাতনামা বাংলা কবি জীবনানন্দ দাশের খুড়তুতো বোনের মেয়ে। তিনি তার শৈশব অতিবাহিত করেন় হাজারীবাগ এবং কলকাতা শহরে। তিনি কলকাতার মডার্ন হাই স্কুল ফর গার্লস এ লেখাপড়া করেছেন।তিনি কলকাতার বিখ্যাত প্রেসিডেন্সি কলেজে ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে পড়েছিলেন যদিও ডিগ্রি নেননি।
২০২৪ সালে মেলবোর্নে চলচ্চিত্র উৎসবে “শ্রেষ্ঠ পরিচালক” নির্বাচিত হন।
অভিনয়জীবন
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র “অরণ্যের দিনরাত্রি” (১৯৭০) সহ আরো অনেক চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেন।
//L//

